Xiaomi 15 Ultra এর দাম কত
Xiaomi 15 Ultra একটি প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন, যা ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাজারে আসে। এটি দামের দিক থেকে কিছুটা বেশি হলেও এর ফিচার ও পারফরম্যান্স এক কথায় দুর্দান্ত। এই ফোনটিতে আছে ৬.৭৩ ইঞ্চির বিশাল ও স্প
ষ্ট রেজোলুশনের ডিসপ্লে, শক্তিশালী ১৬ জিবি র্যাম ও ৫১২ জিবি স্টোরেজ।
ফটোগ্রাফি প্রেমীদের জন্য ফোনটির পিছনে রয়েছে ৫০+৫০+২০০+৫০ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ এবং সামনে আছে ৩২ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। ব্যাটারি হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৫৪১০ mAh শক্তিশালী ব্যাটারি, যার সাথে আছে ৯০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা।
এই ফোনটি পানি ও ধুলাবালি প্রতিরোধে IP68 রেটিংযুক্ত এবং এতে ব্যবহার করা হয়েছে নতুন প্রযুক্তির Shield Glass 2.0। দ্রুত ইন্টারনেটের জন্য এতে Wi-Fi 7 ও উন্নত Bluetooth 5.4 সাপোর্ট রয়েছে। সব মিলিয়ে Xiaomi 15 Ultra হলো এক অসাধারণ পারফরম্যান্স ও প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতার ফোন।
Xiaomi 15 Ultra এর দাম কত বাংলাদেশে
Xiaomi 15 Ultra ওভারভিউ
Xiaomi 15 Ultra হলো ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাজারে আসা একটি অত্যাধুনিক ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন, যা টেকনোলজি ও ক্যামেরা পারফরম্যান্সের দিক থেকে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই ফোনটি Xiaomi-এর পুরোনো Ultra সিরিজের ধারাবাহিকতায় তৈরি হলেও এতে যুক্ত হয়েছে অনেক আধুনিক ফিচার ও উন্নত প্রযুক্তি।
প্রথমেই আসা যাক এর ডিসপ্লে নিয়ে। ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৩ ইঞ্চির LTPO AMOLED কোয়াড-কার্ভড ডিসপ্লে, যার রেজোলিউশন 2K (1440x3200 পিক্সেল)। এতে ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট এবং সর্বোচ্চ ৩২০০ নিট উজ্জ্বলতা থাকায় ভিডিও দেখা বা গেম খেলা একদম প্রাণবন্ত অভিজ্ঞতা এনে দেয়। স্ক্রিনটি সুরক্ষিত রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে Xiaomi Shield Glass 2.0, যা স্ক্র্যাচ এবং ভাঙনের বিরুদ্ধে ভালো প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
ফোনটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর ক্যামেরা সিস্টেম। পিছনে রয়েছে কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ—৫০ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেন্সর (OIS সহ), ৫০ মেগাপিক্সেলের টেলিফটো লেন্স (৩.২x অপটিক্যাল জুম), ২০০ মেগাপিক্সেলের পেরিস্কোপ ক্যামেরা এবং ৫০ মেগাপিক্সেলের আলট্রা-ওয়াইড লেন্স। এই সেটআপের মাধ্যমে আপনি ৮K রেজোলিউশনে ভিডিও ধারণ করতে পারবেন এবং ছবি তোলার সময় পাবেন DSLR-এর মতো অভিজ্ঞতা। সামনে আছে ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা, যা ৪K ভিডিও ধারণেও সক্ষম।
পারফরম্যান্সের দিক থেকেও এটি দুর্দান্ত। Xiaomi 15 Ultra-তে আছে Qualcomm Snapdragon 8 Elite চিপসেট (3nm আর্কিটেকচারে তৈরি), যা অতি দ্রুত ও পাওয়ারফুল পারফরম্যান্স দিতে পারে। এতে ব্যবহার হয়েছে Android 15 এবং Xiaomi-এর HyperOS 2 ইন্টারফেস, যা স্মুথ এবং ইউজার-ফ্রেন্ডলি।
ফোনটি ১৬ জিবি LPDDR5X র্যাম এবং ৫১২ জিবি UFS 4.1 স্টোরেজ সহ আসে, তাই আপনি কোনো ল্যাগ ছাড়াই মাল্টিটাস্কিং করতে পারবেন এবং বড় বড় ফাইল সংরক্ষণে কোনো অসুবিধা হবে না।
ব্যাটারি ব্যাকআপ দিক থেকেও এটি শক্তিশালী। এতে রয়েছে ৫৪১০ mAh ব্যাটারি, যা ৯০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং এবং ৮০ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট করে। এমনকি ১০ ওয়াট রিভার্স চার্জিংও আছে, যা দিয়ে আপনি অন্য ডিভাইস চার্জ দিতে পারবেন।
ডিজাইন এবং নির্মাণমানের দিক থেকে এটি প্রিমিয়াম। ফোনটির ওজন ২২৬ গ্রাম এবং এতে গ্লাস ফ্রন্ট, গ্লাস ফাইবার বা ইকো-লেদার ব্যাক এবং অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম ব্যবহার করা হয়েছে। ফোনটি IP68 রেটিংপ্রাপ্ত হওয়ায় এটি ধুলো ও পানির প্রতিরোধে সক্ষম (১.৫ মিটার পানিতে ৩০ মিনিট পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে)।
সংযোগ ও সেন্সরের দিক থেকেও ফোনটি পূর্ণাঙ্গ। এতে Wi-Fi 7, Bluetooth 6.0, USB Type-C 3.2 Gen 2, NFC, ইনফ্রারেড এবং টু-ওয়ে স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন রয়েছে। পাশাপাশি অন-স্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আনলক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেন্সরও যুক্ত আছে।
Xiaomi 15 Ultra এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন
বিভাগ | বিবরণ |
---|---|
মডেল | Xiaomi 15 Ultra |
বাজারে আসার তারিখ | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ |
মূল্য (বাংলাদেশে) | আনঅফিশিয়াল – ৳১,৬০,০০০ |
ডিভাইসের ধরন | ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন |
ওএস | Android 15 |
ইউজার ইন্টারফেস | HyperOS 2 |
চিপসেট | Qualcomm Snapdragon 8 Elite (SM8750-AB) |
সিপিইউ | অক্টা কোর (2x4.32 GHz + 6x3.53 GHz) |
জিপিইউ | Adreno 830 |
র্যাম | ১৬ জিবি LPDDR5X |
ইন্টারনাল স্টোরেজ | ৫১২ জিবি UFS 4.1 |
মেমোরি কার্ড সাপোর্ট | নেই |
ডিসপ্লে সাইজ | ৬.৭৩ ইঞ্চি LTPO AMOLED |
রেজোলিউশন | ১৪৪০ x ৩২০০ (QHD+) |
রিফ্রেশ রেট | ১২০Hz |
উজ্জ্বলতা (ব্রাইটনেস) | সর্বোচ্চ ৩২০০ নিট |
স্ক্রিন সুরক্ষা | Xiaomi Shield Glass 2.0 |
ক্যামেরা (পেছনে) | কোয়াড ক্যামেরা:- ৫০ MP (প্রাইমারি, OIS)- ৫০ MP (টেলিফটো, ৩.২x অপটিক্যাল জুম)- ২০০ MP (পেরিস্কোপ)- ৫০ MP (আল্ট্রা-ওয়াইড) |
ভিডিও রেকর্ডিং (রিয়ার) | 8K@30fps, 4K@60/120fps, 1080p@960/1920fps |
সেলফি ক্যামেরা | ৩২ MP, f/2.0 |
সেলফি ভিডিও | 4K ও 1080p@60fps |
ব্যাটারি | ৫৪১০ mAh Li-Ion |
ফাস্ট চার্জিং | ৯০W Wired, ৮০W Wireless |
রিভার্স চার্জিং | ১০W Wireless Reverse |
ইউএসবি টাইপ | USB Type-C 3.2 Gen 2 (DisplayPort) |
ডিজাইন ও গঠন | গ্লাস ফ্রন্ট, ফাইবার/ইকো লেদার ব্যাক, অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম |
ওজন | ২২৬ গ্রাম |
পানিরোধ ও ধূলারোধ | IP68 (১.৫ মিটার পানিতে ৩০ মিনিট) |
সিম সাপোর্ট | Dual SIM (Nano+Nano) |
নেটওয়ার্ক সাপোর্ট | ২জি, ৩জি, ৪জি, ৫জি |
ওয়াই-ফাই | Wi-Fi 7 (6GHz সাপোর্ট) |
ব্লুটুথ | ভার্সন ৬.০ |
জিপিএস | A-GPS, Glonass |
NFC ও Infrared | রয়েছে |
অডিও | Dolby Atmos, USB Type-C অডিও |
সেন্সর | অন-স্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আনলক, অ্যাক্সেলোমিটার, জাইরো, প্রক্সিমিটি, কম্পাস, ব্যারোমিটার |
অন্যান্য ফিচার | দুই-পথ স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন, HDR10+, Dolby Vision |
ভালো দিক
-
চমৎকার ডিসপ্লে:
6.73 ইঞ্চি LTPO AMOLED ডিসপ্লে, 2K রেজোলিউশন, 120Hz রিফ্রেশ রেট এবং 3200 নিট উজ্জ্বলতা—ভিডিও দেখা, গেম খেলা বা সাধারণ ব্যবহারে চোখে আরামদায়ক ও প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা। -
শক্তিশালী ক্যামেরা সেটআপ:
৫০+৫০+২০০+৫০ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরা; যা আলোকচিত্র ও ভিডিওর দিক থেকে প্রোফেশনাল লেভেলের পারফরম্যান্স দেয়। 8K ভিডিও রেকর্ডিং এবং ৩.২x অপটিক্যাল জুমও থাকছে। -
হাই পারফরম্যান্স প্রসেসর:
Snapdragon 8 Elite চিপসেট ও ১৬ জিবি LPDDR5X র্যামের কম্বিনেশন যেকোনো হেভি গেম, মাল্টিটাস্কিং বা এডিটিং-এর জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী। -
দ্রুত চার্জিং সুবিধা:
৯০W ওয়্যার্ড ও ৮০W ওয়্যারলেস চার্জিং – কয়েক মিনিটেই অনেকটা চার্জ হয়ে যাবে। রিভার্স চার্জিংও আছে। -
বহু উন্নত কানেক্টিভিটি:
Wi-Fi 7, Bluetooth 6.0, NFC, Infrared, USB 3.2 – সব ধরনের আধুনিক সংযোগ প্রযুক্তি সাপোর্ট করে। -
ভালো ব্যাটারি লাইফ:
৫৪১০ mAh ব্যাটারি দৈনিক ব্যবহারের জন্য সহজেই দিন পার করতে পারবে। -
পানি ও ধুলা প্রতিরোধী:
IP68 রেটিং – মানে এটি ১.৫ মিটার পানির নিচেও ৩০ মিনিট পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। -
সাউন্ড কোয়ালিটি:
Dolby Atmos সাপোর্টেড স্পিকার – মিউজিক ও ভিডিওতে প্রিমিয়াম অডিও অভিজ্ঞতা।
দুর্বল দিক
-
মূল্য অনেক বেশি:
আনঅফিশিয়াল দামে ১.৬ লাখ টাকা—সব ব্যবহারকারীর নাগালের বাইরে। -
মেমোরি কার্ড স্লট নেই:
এক্সটার্নাল স্টোরেজ ব্যবহারের সুযোগ নেই, যদিও ৫১২ জিবি স্টোরেজ অনেক। -
ভারী ও মোটা ডিজাইন:
২২৬ গ্রাম ওজন এবং ৯.৪ মিমি পুরুত্ব – দীর্ঘ সময় হাতে ধরে ব্যবহার করলে একটু অস্বস্তি হতে পারে। -
গ্লাস ও লেদার ব্যাক – স্ক্র্যাচ পড়ার সম্ভাবনা:
যদিও প্রিমিয়াম লুক দেয়, কিন্তু কভার ছাড়া ব্যবহারে দাগ বা ভাঙার ঝুঁকি থাকে। -
অনেক ফিচার দৈনন্দিন ব্যবহারকারীদের জন্য অপ্রয়োজনীয় হতে পারে:
8K ভিডিও, স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন ইত্যাদি সবার কাজে নাও লাগতে পারে।
Xiaomi 15 Ultra ব্যবহারকারীদের জন্য একটি প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম, তবে এটি নির্ভর করবে আপনি কিভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে ফোনটি ব্যবহার করছেন তার উপর। নিচে সম্ভাব্য ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো:
ডিসপ্লে ও দৈনন্দিন ব্যবহার:
ফোনটির 6.73 ইঞ্চির 2K LTPO AMOLED স্ক্রিনে ভিডিও দেখা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বা ওয়েব ব্রাউজ করা খুবই চোখে আরামদায়ক হবে। ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট থাকায় স্ক্রলিং ও অ্যানিমেশন একদম স্মুথ ফিল হবে। টাচ রেসপন্সও খুব দ্রুত।
যারা Netflix, YouTube বা মোবাইলে সিনেমা দেখেন, তাদের জন্য এটি দারুণ অভিজ্ঞতা দেবে।
পারফরম্যান্স ও গেমিং:
Snapdragon 8 Elite চিপসেট ও ১৬ জিবি র্যামের জন্য সব ধরনের হেভি গেম (যেমন: PUBG, COD, Genshin Impact) হাই সেটিংসে ল্যাগ ছাড়াই চলবে। HyperOS 2 অপ্টিমাইজড ও স্মুথ, ফলে মাল্টিটাস্কিং বা অ্যাপ সুইচিং-এ কোনো সমস্যা হবে না।
গেমারদের জন্য এটি একটি টপ-লেভেল অভিজ্ঞতা দেবে।
ক্যামেরা ব্যবহার:
৫০+৫০+২০০+৫০ এমপি কোয়াড ক্যামেরা ও ৩২ এমপি সেলফি ক্যামেরা দিয়ে ছবি ও ভিডিও তোলা একদম DSLR-এর মতো ফিল দিতে পারে। 8K ও 4K ভিডিও রেকর্ডিং, HDR, আলাদা জুম লেন্স—সব মিলিয়ে যেকোনো আলোতে দারুণ ছবি তোলা সম্ভব।
যারা ফটোগ্রাফি পছন্দ করেন বা কন্টেন্ট তৈরি করেন, তাদের জন্য এটি অসাধারণ সঙ্গী হবে।
ব্যাটারি ও চার্জিং অভিজ্ঞতা:
৫৪১০ mAh ব্যাটারি সহজেই সারাদিন ব্যবহার করা যাবে। ৯০W ফাস্ট চার্জিং ও ৮০W ওয়্যারলেস চার্জিং—দুটিই দ্রুত কাজ করে। এমনকি রিভার্স চার্জিংও ব্যবহার করা যাবে ছোট ডিভাইস চার্জ দিতে।
আপনি যদি ফোনে লম্বা সময় ব্যবহার করেন, চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।
আবহাওয়া ও টাফনেস:
IP68 রেটিং থাকায় পানি বা ধুলা থেকে ফোন সুরক্ষিত, যা বাংলাদেশের বর্ষাকালে খুবই উপকারী। ফোনটি একটু ভারী হলেও বিল্ড কোয়ালিটি প্রিমিয়াম, ফলে হাতে নিলে একটি দামি ফোন ব্যবহারের অনুভূতি পাওয়া যাবে।
সফটওয়্যার ও স্মার্ট ফিচার:
HyperOS 2 ইন্টারফেসটি ক্লিন ও মসৃণ। এতে রয়েছে AI বুস্ট, ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন, স্মার্ট রিফ্রেশ রেট কন্ট্রোল ইত্যাদি। ফেস আনলক, অন-স্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট—সবকিছু দ্রুত কাজ করে।
সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতা:
ফোনটি ভারী, তাই এক হাতে দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারে কিছুটা অস্বস্তি হতে পারে। মেমোরি কার্ড সাপোর্ট নেই, তবে ৫১২ জিবি অনেকের জন্য যথেষ্ট হবে। অতিরিক্ত ফিচার অনেক ব্যবহারকারীর জন্য ‘ওভারকিল’ মনে হতে পারে।
উপসংহার:
Xiaomi 15 Ultra হলো একটি সম্পূর্ণ ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন, যা আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে। এর দুর্দান্ত ক্যামেরা সেটআপ, 2K রেজোলিউশনযুক্ত প্রিমিয়াম ডিসপ্লে, শক্তিশালী প্রসেসর, এবং সুপার ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি—সব মিলিয়ে এটি একটি অলরাউন্ড পারফর্মার।
যারা গেম খেলেন, ভিডিও এডিট করেন, অথবা প্রফেশনাল ফটোগ্রাফিতে আগ্রহী—তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ ফোন হতে পারে। তবে এর উচ্চমূল্য, ভারী ডিজাইন এবং মেমোরি কার্ড সাপোর্ট না থাকা কিছু ব্যবহারকারীর জন্য অসুবিধাজনক হতে পারে।